জুমসায়েন্স সম্পর্কে

আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রাম সব দিক দিয়েই এগিয়ে যাচ্ছে। হিল চাদিগাং এর মানুষ জ্ঞান-গরিমায় বিকশিত হচ্ছে দিন দিন। আমাদের জুম্মদের পদচারনা আজ সবখানে ছড়িয়ে পড়েছে। শুধু এদেশে নয় বিদেশেও এর কমতি নেই।

বিজ্ঞান নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল স্তরের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বর্তমানে যথেষ্ট উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। তাই বলা চলে বিজ্ঞান চর্চা জুম্ম শিক্ষার্থী এবং পাশাপাশি জুম্মজনগণের মাঝেও একটা বেগ পেতে চলেছে। তাই আমাদের মাঝে বিজ্ঞানপ্রেমী মানুষের সংখ্যাটাও ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে। বিজ্ঞানের জন্যে ভালোবাসা এবং বিজ্ঞান শিক্ষায় তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে থাকা পার্বত্য চট্টগ্রামে বিজ্ঞান শিক্ষার গুরুত্বের অনুধাবন থেকেই মূলত JumScience ব্লগ সাইটটির সৃষ্টি। JumScience সাইটটি আমরা আপনারা সবাই মিলে একত্রে সময়ের সাথে ধীরে ধীরে একটি সম্বৃদ্ধ বিজ্ঞানের সাইটে পরিণত করতে পারি। এ ব্যপারে তাই সকল স্তরের জুম্মজনগণের অংশগ্রহণ এবং সহযোগিতা দরকার। আমরা কেন চাইবো না বিজ্ঞান নিয়ে লিখতে? কেননা বিজ্ঞান চর্চা হাতে কলমে করার স্পৃহার পাশাপাশি প্রকৃত অর্থে বিজ্ঞানকে বুঝে সেই জ্ঞান সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার একমাত্র সহজ উপায় বিজ্ঞান নিয়ে লেখালেখি করা। যারা বিজ্ঞান নিয়ে লিখে এবং যারা সেসব লেখা পড়ে এই দুই দলের মধ্যে জ্ঞান-গরিমায় কিছুটা হলেও পার্থক্য থাকে। যারা প্রযুক্তি আবিস্কার করে আর যারা প্রযুক্তির কেবল সুবিধা ভোগ করে, এর পিছনের বিজ্ঞানকে যারা জানতে চায় না তাদের মাঝে পার্থক্য থাকবেই। এটাই বাস্তবতা। সুতরাং আমরা চাইবো না যে আমরা দ্বিতীয় দলে পড়ি। আর তাইতো আমাদের এই উদ্যোগ। সবশেষে, পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল স্তরের মানুষের মাঝে বিজ্ঞানের আলো ফুটুক, চিন্তা চেতনায় তারা যুক্তিএবং বুদ্ধিদীপ্ত হোক সেটাই আমাদের কামনা। এতেই আমাদের সার্থকতা।

JumScience একটি বাৎসরিক ম্যাগাজিন প্রকাশ করার প্রকল্প হাতে নিচ্ছে। তাছাড়া বিজ্ঞানভিত্তিক প্রতিযোগিতা তো থাকছেই। মাঠ পর্যায়ে কাজ করার পরিকল্পনাও JumScience এর উদ্যোক্তাদের মাথায় রয়েছে। একে অন্যের সাহায্য, সহযোগিতায় হিল চাদিগাং হয়ে উঠবে বিজ্ঞানের একটি প্রকৃত নিদর্শন এই চেতনাই হোক আমাদের আগামী দিনের বিজ্ঞান চর্চার উদ্দেশ্য।

সবাইকে ধন্যবাদ।